সুনামগঞ্জ , রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬ , ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে দুই কিশোর আটক জন্মজয়ন্তীতে কবি নজরুল ইসলামকে স্মরণ ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক র‌্যালি গাছের সঙ্গে ট্রাকের ধাক্কায় শ্রমিক নিহত, অটোরিকশার চাপায় প্রাণ গেল ৬ বছরের শিশুর পুশইনে মরিয়া বিএসএফ, সীমান্তে উত্তেজনা মে মাসে গণপিটুনি ও সহিংসতায় নিহত ৩১, ধর্ষণের শিকার ৮৩ নারী ও শিশু বাদাম চাষে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়ালেও ফলন নিয়ে শঙ্কা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীকে ছাড় দেওয়া হবে না ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকায় অনিয়ম, ক্ষোভে ফুঁসছেন বঞ্চিতরা টাঙ্গুয়ার হাওরে নিভে গেল ছোট্ট সৌম্যতার জীবনপ্রদীপ তাহিরপুরে ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভায় এমপি কামরুল মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না : মির্জা ফখরুল শিশুর হাতে স্মার্টফোন : আশীর্বাদ না অভিশাপ? হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি টাঙ্গুয়ার হাওরে উজাড় হচ্ছে হিজল-করচ বাগ সাম্রাজ্যবাদী ও দেশবিরোধী সব চুক্তি বাতিলের দাবি “সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ” গুপ্ত ছিলাম, বাইরে যাইনি, ভবিষ্যতেও পালাবো না : জামায়াত আমির প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ হলেন যাঁরা

গৃহস্থালিতে নারীর অদৃশ্য শ্রমের মূল্য ৫ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা

  • আপলোড সময় : ১২-০৯-২০২৫ ১২:১৮:০৫ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১২-০৯-২০২৫ ১২:১৮:০৫ পূর্বাহ্ন
গৃহস্থালিতে নারীর অদৃশ্য শ্রমের মূল্য ৫ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা
নারীর অবদান জাতীয় অর্থনীতির কেন্দ্রে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) যে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, তা জাতীয় অর্থনীতিতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে। প্রথমবারের মতো গৃহস্থালি ও যত্নমূলক কাজের আর্থিক মূল্য নিরূপণ করে দেখানো হলো, ২০২১ সালে এই অবৈতনিক কাজের মূল্য দাঁড়িয়েছে ছয় লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা - যা জিডিপির প্রায় ১৯ শতাংশ। এর মধ্যে নারীর অবদানই ৮৫ শতাংশ বা পাঁচ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা। এ হিসাব আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল, নারীরা প্রতিদিন যে অবৈতনিক শ্রম দিচ্ছেন, তা দেশের অর্থনীতির জন্য কতটা অপরিহার্য। রান্না, ঘর সামলানো, শিশু ও প্রবীণের যতœ কিংবা অসুস্থকে দেখাশোনা - এসব কাজ পারিবারিক ও সামাজিক জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। অথচ এতদিন এই শ্রমকে অর্থনৈতিক মূল্যায়নে স্থান দেওয়া হয়নি। এখন প্রশ্ন হলো, এই স্বীকৃতি কেবল পরিসংখ্যানেই সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি নীতি প্রণয়ন ও বাজেটে প্রতিফলিত হবে। যতœ খাতকে জাতীয় বাজেটে অগ্রাধিকার দেওয়া, পরিবারবান্ধব কর্মনীতি তৈরি, যত্ন কেন্দ্রিক চাকরির সুযোগ সৃষ্টি এবং আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় - এসব পদক্ষেপ জরুরি। বিবিএসের উদ্যোগ শুধু নারীর অবদানকে দৃশ্যমান করল না, বরং সমাজে প্রোথিত লিঙ্গবৈষম্য ভাঙার প্রক্রিয়াকেও এগিয়ে দিল। বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে এটি বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ায় অগ্রণী স্থানে নিয়ে যাবে। আমরা মনে করি, নারীর এই শ্রম অর্থনীতির ছায়ায় নয়, এখন তা জাতীয় উন্নয়নের মূলধারায়। এই বাস্তবতাকে কাজে লাগিয়ে একটি আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক, ন্যায়সংগত ও টেকসই অর্থনীতি গড়ে তোলাই সময়ের দাবি।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স